সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে মোদি-অমিত শাহকে নিশানা মমতার।
- By Mijanul Hoque
- 21st August, 2025 11:20 AM
লোকসভায় পেশ করা অমিত শাহের নতুন বিল আইনে পরিণত হলে গ্রেফতার হওয়া তিরিশ দিনের মাথায় পদ ছাড়তে হবে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের ।
এবার এই বিল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নতুন এই বিলের তীব্র সমালোচনা করে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, "প্রস্তাবিত ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিলের তীব্র বিরোধিতা করছি। এই পদক্ষেপকে ভারতের গণতান্ত্রিক অধ্যায়কে শেষ করে সুপার ইমারজেন্সির দিকে এগিয়ে যাওয়ার ধাপ হিসেবেই নিন্দা করছি। এই দমনমূলক আইন ভারতের গণতান্ত্রিক এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য মৃত্যুঘণ্টার সমান।"
তৃণমূলনেত্রীর কথায়, "এটি কেন্দ্রের অতি নিপীড়ণমূলক একটি পদক্ষেপ "।
মুখ্যমন্ত্রীর বলেন , "এই আইন ভারতের বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতাকেও শেষ করে দিতে চলেছে । আমরা যা দেখছি, সেটা নজিরবিহীন। এটি ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার আত্মায় আঘাত ।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নতুন এই আইন ভারতের আদালতগুলির ন্যায়বিচারের ক্ষমতাকেই কেড়ে নেবে ।এই বিপজ্জনক ক্ষমতার অপব্যবহারকে আমাদের প্রতিরোধ করতেই হবে। আমাদের সংবিধান সাময়িক ভাবে ক্ষমতায় থাকা কারও হাতের সম্পত্তি নয়। এর অধিকার একমাত্র ভারতীয়দের।”
তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ, "এই বিলের একমাত্র উদ্দেশ্য এক ব্যক্তি-এক সরকার- এক দলের নীতিকে পোক্ত করা ।জনমতকে উপেক্ষা করে ইডি, সিবিআই-এর হাতে একতরফা ক্ষমতা তুলে দিতেই এই বিল আনা হচ্ছে। যাতে নির্বাচিত সরকারের কাজে ইচ্ছে মতো হস্তক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার ।এই পদক্ষেপ আমাদের সংবিধান প্রদত্ত প্রাথমিক অধিকারগুলিকে খর্ব করে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অশুভ ক্ষমতার অধিকারী করে দেওয়ার চেষ্টা। যে কোনও মূল্যে এই বিলকে আটকাতে হবে ।গণতন্ত্রকে যে কোনও ভাবে রক্ষা করতেই হবে। আদালত, অধিকার, গণতন্ত্রকে কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টাকে মানুষ কোনওভাবেই ক্ষমা করবে না "।
