Broadcast India News.

Broadcast India News.

22nd May, 2026

“রাজ্য সরকারকে ফেলতে সবরকম চেষ্টা”, নতুন বিল নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ অভিষেকের ।

“রাজ্য সরকারকে ফেলতে সবরকম চেষ্টা”, নতুন বিল নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ অভিষেকের ।

বুধবার লোকসভায় নতুন বিল আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে বলা হয়েছে কোন অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে পুলিশ হেফাজতে গেলে ৩০ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর, মুখ্যমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় সরকারের যে কোন মন্ত্রী, বা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী পদ থেকে সেই ব্যক্তিকে পদত্যাগ করতে হবে । লোকসভায় ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিলটি পেশ করবেন অমিত শাহ।

এবার সেই কেন্দ্রীয় সরকারের আনা নতুন বিল নিয়ে কেন্দ্রকে কটাক্ষ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লেখেন, “বিরোধী দল এবং সমগ্র জাতির সমর্থন থাকা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকারের এখনও পিওকে পুনরুদ্ধার করার সাহস নেই। তারা কেবল ফাঁকা বক্তৃতা দেয়, কিন্তু যখন ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আমাদের সীমান্ত রক্ষা এবং আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে কাজ করার কথা আসে, তখন তারা কোনও প্রকৃত উদ্যোগ দেখায় না।”

তিনি আরও লেখেন, “এই সরকার নিজেকে জনবিরোধী, কৃষকবিরোধী, গরিববিরোধী, তফসিলি জাতিবিরোধী, উপজাতিবিরোধী, ওবিসি-বিরোধী, ফেডারেলবিরোধী এবং সর্বোপরি ভারতবিরোধী হিসেবে প্রমাণ করেছে। দেশের সংবিধান বিক্রি করছে। দেশটাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবছে।কেন্দ্র জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। রাজ্য সরকারকে ফেলতে সবরকম চেষ্টা করছে কেন্দ্র।”

উল্লেখ্য, আজ, বুধবার লোকসভায় ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করবেন অমিত শাহ। নতুন সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কোনও মন্ত্রী যদি কোনও গুরুতর অপরাধে গ্রেফতার হয়ে টানা ৩০ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকে তাহলে ৩১ দিনের মাথায় তাকে সেই পদ থেকে ইস্তাফা দিতে হবে । এমনকি পাঁচ বছরের বেশি সাজা পেলে সরানো যেতে পারে মন্ত্রিত্ব থেকে।

এই বিল নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “একদিকে ভোট চুরি করে জেতার চেষ্টা করে। আর যে সব জায়গায় ভোট চুরির পরও জিততে পারে না, সেখানে সরকার চুরির চেষ্টা করে। ”

এই প্রসঙ্গে তার পাল্টা হিসেবে বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “চুরির ভোটে জিতে এসে, পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কিছু বলা সাজে না। ভারতের কাশ্মীর ভাবার অনেক লোক রয়েছে, তবে এ রাজ্যে যে ছোট ছোট কাশ্মীর রয়েছে, দিনহাটা, নানুর, ইলামবাজার, কালিয়াচক এগুলোকে শান্ত করুক।তারপর না হয় কেন্দ্রীয় সরকারের আনার নতুন বিল নিয়ে কথা বলবে ।”