Broadcast India News.

Broadcast India News.

19th February, 2026

রাজ্যের ফাঁসি সাজায় আপত্তি কেন্দ্রের! অপরাজিতা বিল ফেরত

রাজ্যের ফাঁসি সাজায় আপত্তি কেন্দ্রের! অপরাজিতা বিল ফেরত

সামনেই ২৬ এ বিধানসভা ভোট। তার আগেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন দলের নানান প্রস্তুতি । তবে ভোটের আগে সবচেয়ে বেশি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের বিষয়টি । এবার এরই মধ্যে উঠে এলো অপরাজিতা বিল এর বিষয়টি । গত বছরের অগস্টে আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পর তার প্রতিবাদে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনে রাজ্যে তৃণমূল সরকারের তরফ থেকে অধিবেশনেই পাশ হয় ‘অপরাজিতা বিল ২০২৪’।

সূত্রের খবর , রাজ্যের ফাঁসি সাজায় আপত্তি কেন্দ্রের! অপরাজিতা বিল ফেরত পাঠিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। অপরাজিতা বিল হল ধর্ষণ-বিরোধী একটি বিল। গত বছর বিধানসভা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়ে গিয়েছিল 'অপরাজিতা ওমেন চাইল্ড বিল ২০২৪। এরপর নিয়মাফিক অনুমোদনের জন্য বিলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাজভবনে। যেহেতু বিলটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে তৈরি হয়েছে , তাই বিলটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস । শেষপর্যন্ত রাজ্যের কাছে পুনরায় ফিরে আসে অপরাজিতা বিল ।


বর্তমানে আমাদের সমাজে ধর্ষণে সাজা কম করে ১০ বছর জেল । কিন্তু অপরাজিতা বিলের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ধর্ষণে ফাঁসি কিংবা যাবজ্জীবনের কারাদণ্ডের । শুধু তাই নয়, কোনভাবে যদি নির্যাতিতা মারা যায় সে ক্ষেত্রে , ফাঁসি বাধ্য়তামূলক করার কথাও বলা হয়েছিল বিলে। সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রস্তাবিত ফাঁসি সাজা নিয়ে আপত্তি তুলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাদের মতে, 'এক্ষেত্রে ফাঁসির সাজা অত্যন্ত কঠোর'।

উল্লেখ্য , চলতি বছরের গোড়ায় অপরাজিতা বিল কার্যকর করার দাবিতে তৃণমূল এর মহিলা সদস্যরা পথে নেমেছিল । রাজ্যজুড়ে হয়েছিল মিছিল। অপরাজিতা বিল চালু করার দাবিতে , রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মু-র সঙ্গেও দেখা করেছিল তৃণমূলের মহিলা সাংসদের প্রতিনিধিদল।

অপরাজিতা বিল ফেরত আশা নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “অপরাজিতা বিল রাজ্যকে ফেরত পাঠালো কেন্দ্র? ধর্ষণ, খুনে মৃত্যুদণ্ডকে অতিরিক্ত নিষ্ঠুর সাজা বলে চিহ্নিত করে আপত্তি করল তারা? রাজভবন সূত্রে খবর পেয়েছি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। এটা সত্য হলে তীব্র প্রতিবাদ হবে । বিজেপির মানসিকতা কী, সেটা এ বার স্পষ্ট হল।”