Broadcast India News.

Broadcast India News.

17th April, 2026

‘জেলে বসে আর কলকাঠি নাড়া যাবে না’! মোদির কথায় মোদিকে কটাক্ষ তৃণমূলের

‘জেলে বসে আর কলকাঠি নাড়া যাবে না’! মোদির কথায় মোদিকে কটাক্ষ তৃণমূলের

গতকাল মেট্রো রেলের উদ্বোধন করতে বাংলায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্পষ্ট বার্তা, "মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এমনকী প্রধানমন্ত্রীকেও শক্ত আইনের আওয়াটায় আনতে হবে"।

মোদী বলেন, "কোনও মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী যদি জেল যায়, তাঁদের জন্য কোনও আইন নেই। এরা এত নিচে নেমে গিয়েছে যে, জেলে বসেই সরকার চালানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূলের এক মন্ত্রী এখনও জেলে। চেয়ার ছাড়তে চাননি ওই মন্ত্রী। আর এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রেশন চুরির অভিযোগ।এই ধরনের লোক যাঁরা মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে তাদের ক্ষমতায় থাকা উচিত? মোদী সংবিধানের অপমান সহ্য করবে না"।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরে চুপ করে বসে থাকা সম্ভব হয়নি তৃণমূলের তরফ থেকে। তৃণমূলের কুনাল ঘোষের বলেন , "কাচের ঘরে বসে ঢিল ছুঁড়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূল যে অভিযোগ করেছে,তার উত্তর দিতে পারেনি। টেলিপ্রম্পটারে লিখে আনা বাংলা লিখে এনে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী যখন দুর্নীতি নিয়ে বলছেন। প্রধানমন্ত্রীর পাশে যিনি বসে রয়েছেন,তিনি দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। যাতায়াত করতে পারেন,কিন্তু গো-হারা হারবেন। যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তাঁদের মঞ্চে বসিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন। বাংলায় যত বার আসবেন , তত তৃণমূলের আসন বাড়বে। রেকর্ড সংখ্যক বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়বে তৃণমূল" ।

উল্লেখ্য, গত বুধবার লোকসভায় একটি সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাতে বলা হয় কোন গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্যান্য কোন মন্ত্রীরা যদি ৩০ দিন জেলে থাকে তাহলে ৩১ দিনের মাথায় সেই মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দিতে পারবে সরকার। সরকারের মতে ওই আইনের ফলে দুর্নীতি রোখা যাবে ।ওই বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা দেখা দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।