Broadcast India News.

Broadcast India News.

10th April, 2026

ভোটার লিস্টে নাম নেই বাবার ! ক্ষিপ্ত বিধায়ক।

ভোটার লিস্টে নাম নেই বাবার ! ক্ষিপ্ত বিধায়ক।

সামনেই বিধানসভা ভোট আর তার আগেই ভোটার লিস্ট নিয়ে সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার সামনে এলো বিধায়কের বাবার নাম ভোটার লিস্টে না থাকার তথ্য। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন ২০০২ সালের ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকায় নাম নেই বনগাঁর বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার বাবা ও পরিবারের সদস্যদের।যা দেখে বেজায় চটেছে বিধায়ক ।

বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া অবৈধ প্রবেশকারী এমন অভিযোগ করে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের তরফ থেকে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানিয়ে মহকুমা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয়া হয়েছে ইতিমধ্যে ।

মতুয়া মহাসঙ্ঘের অভিযোগ, সদ্য প্রকাশিত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার নাম থাকলেও সেই সময় তালিকায় নাম নেই তাঁর বাবা এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের। ২০১০ সালের পর বিধায়কের বাবা অবৈধভাবে ভারতে এসেছে। এরপরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলের মধ্যে নানান মতবিরোধ।

এই প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রসেনজিৎ বিশ্বাস বলেন, “আগামিদিনে আমরা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিধানসভার স্পিকারের কাছে অশোক কীর্তনিয়ার বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানাব।”

 

বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “অশোক কীর্তনীয়া আগে ভোটার হয়েছেন, তাঁর বাবা পরে ভোটার হয়েছেন। আমাদের জানা ছিল, বাবা আগে ভোটার হন, তারপর ছেলে। এখানে ছেলে আগে ভোটার হয়েছেন, বাবা পরে। এটা অশোক কীর্তনিয়া প্রমাণ করুক। বিজেপি ব্যবস্থা নিক।”

বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া এরপরেই এই প্রশ্নের করা উত্তর দেন । তিনি ১৯৫০ সালের তাঁর বাবার বর্ডার স্লিপ ও ১৯৯৩ সালের ভোটার তালিকা দেখিয়ে দাবি করেন, এগুলোই হল একমাত্র প্রমাণ তাঁর নাগরিকত্বের । তিনি বলেন, “তৃণমূল যা অভিযোগ করছে করুক, আমার কাছে এই প্রমাণপত্র আছে। তৃণমূল সব জায়গাতেই হেনস্থা করবার জন্য এরকম অভিযোগ করছে।”

তিনি আরো বলেন বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল আর কি কি করতে পারে তা আমরা দেখতে চাই